সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১১

ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার, আজকের সফটওয়্যার “Wi-Fi Password Recovary” হ্যাক করুন বিশ্বের যে কোন পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক।

.................শুরুতে জানুন কিছু দরকারী কথা...................

আমাদের অনেকের মাঝে একটা বদ্ধমুল ধারনা আছে যে হ্যাকিং জিনিশ টা খুব খারাপ এবং আকামলা দের কাজ। যাদের এই বদ্ধমুল ধারনা তাদের সাথে আমি যুদ্ধ ঘোষনা করছি। প্রত্যেকটা জিনিশেরই একটা ভাল এবং খারাপ দিক আছে। আমরা স্বভাবতই ভাল জিনিশটা জানবো এবং তার সাথে খারাপ দিকটা জানা ভাল কারন ওই জিনিশের খারাপ দিকটা জানতে হবে আমাদের নিরাপত্তার জন্য। একটা উদাহরন দিয়ে বলি, আগে থেকেই হ্যাকিং এর উপর আমার খুব আগ্রহ। টিটিতে আসার আগে আমি হ্যাকিং বিষয়ক কোন কিছুই জানতাম না। পিশিং এর কথাই ধরি। আগে আমি পিশিং সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। এখন জানি এবং পিশিং হ্যাক করতে পারি। তাই আগে আমার অ্যাকাউন্ট যে কোন সময় পিশিং হ্যাক হতে পারত কিন্তু এটা এখন সম্ভব না কারন পিশিং URL সম্পর্কে আমার এখন পুর্ণ ধারনা আছে। তাই আমি যদি হ্যাকিং সম্পর্কে কিছুই না জানি তবে নিজেকে কিভাবে রক্ষা করবো? ঠিক এই কারনেই আমাদের দেশি ওয়েবসাইট গুলো প্রতিনিয়ত বিদেশি হ্যাকার দ্বারা আক্রান্ত হয়। আমাদের দুংখ যে আমাদের কিছু প্রফেশনাল ভাল হ্যাকার নাই। ইউরোপ আমেরিকায় লক্ষ লক্ষ ডলার বেতন দিয়ে বিভিন্ন কোম্পানী হ্যাকার রাখে তাদের কোম্পানীর নিরাপত্তার জন্য। তাই আমি মনে করি আমাদের দেশের প্রত্যেকটা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হ্যাকিং সম্পর্কে নুন্যতম জ্ঞান থাকা উচিত। তবে হ্যাঁ আমাদের সবাইকে নৈতিকভাবে সবল থাকতে হবে যেন এটির ব্যাড ইউজ না করি। কারো ক্ষতি করার জন্য হ্যাকিং কাজে লাগানো যাবেনা। আসলে যদি ঠিক ঠাক বুঝা যায় তবে হ্যাকিং জিনিশটা অত্যান্ত মজার এবং নেশার মত, একটু জানলে আরো জানতে ইচ্ছা করে। আলমাসের ভাষায় হ্যাকিং কোন বাহাদূরি করার জিনিষ নয় বরং শিক্ষা নেবার জিনিষ। অনেক কথা বললাম, চলুন আর কথা না বাড়িয়ে চলে যাই মুল টিউনে....................


যদি আপনারা চান তবে হ্যাকিং নিয়ে আমি কিছু ধারাবাহিক টিউন করবো। সেই সুবাদে প্রথমে কিছু প্রফেশনাল হ্যাকিং সফটওয়্যার আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। মনে রাখবেন এগুলো প্রফেশনাল হ্যাকারদের তৈরি এবং এর কিছু কিছু খুব শক্তিশালী, এগুলো দিয়ে খুব সহজেই অন্যের পিসির বারোটা বাজানো যায়। না জেনে বেশি Experiment করতে গেলে নিজের পিসির সর্বনাশ হতে সময় লাগবে না। তখন কিন্তু আমাকে দোষ দিতে পারবেন না। আমি আপনাদের সাথে এগুলো শেয়ার করছি জাস্ট আপনাদের জানার জন্য যাতে আপনারা এসব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন।

“দয়া করে কারো ক্ষতির উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবেন না”

আজ আমি আপনাদের সাথে যে সফটওয়্যারটি শেয়ার করবো তার নাম "Wify Password Recovary"। চলুন প্রথমে জানি,

ওয়াইফাই কি এবং কিভাবে কাজ করে


WLAN বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক কী:

একটি সীমিত এলাকা অর্থাৎ একই ভবন, পাশাপাশি অবস্থিত ভবন অথবা একটি অফিস বা এপার্টমেন্টে অবস্থিত কমপিউটারসমূহ, প্রিন্টার ও অন্য কোন বিশেষ ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে তারের পরিবর্তে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্থাপিত আন্তঃসংযোগ ব্যবস্থাকে ওয়ারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) বলে।

উপরের ছবিটি একটি ব্রডব্যান্ড লাইন থেকে একাধিক কমপিউটারে ইন্টারনেট কানেকশনের একটি ওয়ারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক। এই ধরনের নেটওয়ার্কে প্রয়োজন একটি মডেম ও একটি ওয়ারলেস রয়টার। যে কোন কমপিউটারে ওয়্যারলেস এডাপটার অথবা ওয়্যারলেস কার্ড ইন্সটল থাকলে এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন শেয়ার করতে পারবে।

একটি ওয়াইফাই রয়টার/একসেস পয়েন্ট/এন্টিনার মাধ্যমে কোন বিশেষ স্থানে যখন ওয়ারলেস ইন্টারনেট কানেকশনের সুবিধা প্রদান করা হয় তখন সেই স্থানকে Hot Spot বলা হয়। একাধিক একসেস পয়েন্ট/এন্টিনার মাধ্যমে সৃষ্ট হটস্পটগুলোকে সমন্বয় করে যখন বড় এলাকা ভিত্তিক একটি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক তৈরি হয় তখন সেই এলাকাকে Wi-Fi Zone বলা হয়।

মোবাইল ব্রডব্যান্ড বনাম ওয়াইফাই হটস্পট:

মোবাইল ব্রডব্যান্ড সেবা সাধারণত মোবাইল ফোনের কোম্পানীগুলো দিয়ে থাকে। সুতরাং প্রায় সব জায়গা থেকে (মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক) মোবাইল ফোন বা ওয়ারলেস মডেমের সাহায্যে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়া যায়। ওয়াইফাই হটস্পটে এই সুযোগ একটি সীমিত এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। ইদানীং বড় বড় শহরের বাস/ট্রেন স্টেশন, শপিং সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে ওয়াইফাই জোন সৃষ্টি করা হচ্ছে। মোবাইল ব্রডব্যান্ড সার্ভিসের মাসিক চার্জ বেশী। এছাড়া একদেশ থেকে অন্য দেশে গেলে মোবাইল ব্রডব্যান্ড সার্ভিস কাজ করে না, যদি কাজ করে তবে চার্জ হয় খুবই বেশী। তাই নিজস্ব ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোন থেকে প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ওয়াইফাই হটস্পট থেকে ইন্টারনেট কানেকশন সস্তা। ইদানিং বিভিন্ন শহরের ওয়াইফাই হটস্পটের তালিকা নেটে পাওয়া যায়।

ওয়াইফাই কনফিগারেশন

ইদানিং নতুন মডেলের অনেক ল্যাপটপে ওয়াইফাই কার্ড আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকে। আর না থাকলে আলাদা ওয়াইফাই এডাপটার/কার্ড কিনতে পাওয়া যায়। কার্ডের সাথে ইনস্টল-কনফিগারেশনের নিয়ম লেখা থাকে। এটা তেমন কঠিন নয়, এডাপটার/কার্ড সংযুক্ত করে কমপিউটার অন করলে অটো-ডিটেক্ট হয়ে কনফিগারেশন উইনডোজ চলে আসে।

"তথ্য এবং চিত্র সংগ্রেহিত"

ওয়াইফাই জোন


কিছু ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক জোন থাকে ফ্রি।

ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে যদি কোন ওয়াইফাই সেবা দেওয়া হয় তবে সেই নেটওয়ার্ক পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড থাকে যাতে ক্লায়েন্ট ছাড়া কেউ ইউজ না করতে পারে। শুধু মাত্র ক্লায়েন্ট তার পাসওয়ার্ড দ্বারা নেটওয়ার্কে অ্যাক্সেস করতে পারে।
আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব এমন একটি প্রোফেশনাল হ্যাকিং সফটওয়্যার যার মাধ্যমে দুনিয়ার তাবৎ পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের, পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করতে পারবেন এবং বিনা মুল্যে পুরো সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।  কথা না বাড়িয়ে চলে যাই সচিত্র বর্ননায়।

এটি নিয়ে কাজ করার আগে সবার প্রথমে আপনার পিসির এন্টিভাইরাসের প্রোটেকশন পজ বা টোটালি অফ করুন।

এন্টিভাইরাসের প্রোটেকশন পজ বা টোটালি অফ করার কথা বলা হয়েছে এই কারনে, কারন এন্টিভাইরাস এটিকে হারমফুল সফটওয়্যার হিসাবে ডিটেক্ট করবে এবং আপনাকে কাজ করতে দিবেনা।
তারপর ডাউনলোড করে নিন "Wifi Password Recovary" সফটওয়্যারটি।



সফটওয়্যারটির বাজার মুল্য  1099$ মানে বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৭৭০০০ টাকা!!  আর আমি এটি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি বিনামুল্যে।

১. প্রথমে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করুন এবং রান করান। প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইন্সটল করুন।

২. "Rules" Tab এ যান এবং "Enable advanced rules" এ টিক দিন।

৩. "Formula" বক্সে নিচের কোডটি পেস্ট করুন, "tods=1 and dmac=FF:FF:FF:FF:FF:FF" (চিত্রের মত) এবং "Name" বক্সে টাইপ করুন "a" (চিত্রের মত)। তারপর "Add/Edit" ক্লিক করুন।

৪. উপরের মত উইন্ডো আসবে। চিত্রের মত "a" তে টিক দিন।

৫. এবার "Settings" এ গিয়ে "option" ক্লিক করুন।

৬. "Memory Usages" Tab এ যান এবং হুবহু চিত্রের মত করে সেটিং করে Ok করুন। (যদি রিস্টার্ট চায়,  রিস্টার্ট করুন)

৭. ডান দিকে উপরে তিনটি ফানেল দেখা যাচ্ছে, D লেখা প্রথম ফানেলটি চেক করে বাকি দুটি আনচেক করুন।

৮. তারপর Search বাটনটি ক্লিক করুন এবং যে নেটওয়ার্ক টি ক্র্যাক করতে চান তা খুজে বের করুন।

৯. তারপর তা "Channels" Tab এ ড্র্যাগ করে সিলেক্ট করুন এবং চিত্রানুযায়ী  Capture বাটন ক্লিক করুন।
১০. এখন অন্য যে এডাপ্টার যেটি কোন কিছু Capture করছে না সেটি দিয়ে পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড নেটওয়ার্কে কানেক্ট করুন, যখন পাসওয়ার্ড চাইবে তখন আপনার ইচ্ছামত কিছু যেমন 123456 দিয়ে দিন।
১১. তখন এই মেসেজ দেখাবে "Connected with limited connectivity" ( আমার পিসিতে ওয়াইফাই কার্ড এবং আমার এলাকায় ওয়াইফাই জোন  নেই বিধায় স্ক্রীনশট দেখাতে পারলাম না)

১২. পুনরায় মেইন মেনুতে যান এবং "Packets" Tab এ যান, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে,  উপরের চিত্রের মত কিছু Packet এর Couple দেখতে পারবেন।


১৩. “ARP REQ” নামের Packet এ রাইট ক্লিক করুন তারপর "Send Packet(s)" এ গিয়ে Selected ক্লিক করুন।

১৪. উপরের মত একটি মেনু আসবে।

১৫. এখন চিত্রের মত Value গুলি চেঞ্জ করুন। তারপর "Send" বাটন ক্লিক করুন।

১৬. পুনরায় মেইন মেনুর "Rules" Tab এ যান এবং আপনার তৈরিকৃত Rule টি আনচেক করুন।

১৭. প্রথম ২০০০০ Packet সিলেক্ট করুন এবং Save করুন। অবশ্যই মনে রাখবেন যে কথায় এটি সেভ করেছেন। "Save as" করার সময় "ncf" ফাইলের পরিবর্তে "dump cap" ফাইল হিসাবে সেভ করুন। ( আমার পিসিতে ওয়াইফাই কার্ড এবং আমার এলাকায় ওয়াইফাই জোন  নেই বিধায় ২০০০০ Packet এর লিস্ট দেখাতে পারলাম না)
১৮. এখান থেকে Aircrack-NG জিপ ফোল্ডারটি নামিয়ে নিন। এবং Extract করুন।
১৯. bin ফোল্ডারে যান এবং aircrack-ng-GUI.exe ফাইলটি চালু করুন। তারপর যে Packet গুলো সেভ করেছিলেন সেগুলো ওপেন করে সিলেক্ট করুন এবং launch বাটন ক্লিক করুন।
২০. একটি IV এর লিস্ট দেখতে পাবেন তারপর যে নেটওয়ার্ক ক্র্যাক করতে চান সেটি সিলেক্ট করুন।
২১. Connected ক্লিক করুন, যাদুর মত connected হয়ে যাবেন আপনার কাংখিত নেটওয়ার্কে।

**আমার পিসিতে ওয়াইফাই কার্ড এবং আমার এলাকায় ওয়াইফাই জোন  নেই বিধায় কিছু স্ক্রীনশট দেখাতে পারলাম না।

এটির সাহায্যে আর যেসব কাজ করতে পারবেন..............................

এটির সাথে যে স্ক্রীনশটহীন ইংলিশ টিউটোরিয়াল ছিল এই হল তার মোটামুটি স্ক্রীনশট সহ বাংলা টিউটোরিয়াল। ইংলিশ টিউটোরিয়াল সাথে দেওয়া আছে, কোন সমস্যা হলে দেখে নিতে পারেন। এছাড়া হেল্প মেনুতে আরো ডিটেইল দেওয়া আছে।

এখানে একটা কথা বলতে চাই যে "চুরি বিদ্যা মহা বিদ্যা যদি না পড়ে ধরা"

তাই সাবধানে ইউজ করুন। আর ভুলেও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সেনাবাহিনী বা এ টাইপের কোন নেটওয়ার্ক ক্র্যাক করবেন না। ধরা খাইলে কিন্তু আমি দায়ি থাকবো না।

বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১১

ফ্রী সফটওয়ারের মেলা কার কোনটা লাগবে লুফে নিন

ফ্রী পেতে কার না ভাল লাগে তাই আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম অনেক গুলু ফ্রী সফটওয়্যার জার জেটা লাগে ইচ্ছে মত ডাউনলোড করুন বাধা দেবার কেউ নেই তাছারা RESUME সাপোর্ট করে আর সবচেয়ে আনন্দের বেপার হল সফটওয়্যার গুলু খুবই ছোট ১ টাও ১০ মেগাবাইট এর উপরে নয় ত আর দেরি না করে যার যেঁটা দরকার ডাউনলোড করুন ।
AUDIO & VIDEO TOOLS
Audio Editor
MP3 Cutter
MP3 Joiner
Sound Recorder
Video Converter
Video Joiner
Audio Converter
Ringtone Maker
YouTube Downloader
3GP Video Converter
iPad Video Converter
iPhone Video Converter
Video to iPod Converter
Video to PSP Converter
Video to MP3 Converter
YouTube to iPod Converter
YouTube to PSP Converter
YouTube to MP3 Converter
DVD RIPPER
DVD Ripper
DVD to iPod/iPhone/iPad/PSP/MP4/3GP Converter
DVD to FLV/SWF Converter
DVD to 3GP Converter
DVD to MP4 Converter
DVD to WMV Converter
DVD to MPEG Converter
DVD to AVI Converter
CD DVD TOOLS
Disc Burner
ISO Burner
ISO Creator
ISO Ripper
BONUS হিসেবে দেয়া প্রতিটা সফটওয়্যার ইউস করার Tutorial
তবে ১ টা কথা tutorial গুলু ইংরেজিতে সাথে স্ক্রীন শট আছে যার ফলে কার বুজতে সমস্যা হবে না আশা করি কেমন লাগল জানাবেন ।

মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর, ২০১১

কি ভাবে একটি পেন ড্রাইভ কে বুটেবল করতে হয়।

পেন ড্রাইভ সম্পর্কে কিছু কথাঃ
ভাল ব্র্যান্ড এর একটা পেন ড্রাইভ চয়েস করবেন ।
প্রথমে পেন ড্রাইভ টা কে ফরম্যাট করে নিতে হবে ।
আপনি যদি এক্সপি এর জন্য করতে চান ,তাহলে আপনার পেন ড্রাইভ টি ১ জি বি এবং উইন্ডোজ ৭ হলে ৪ জি বি হলে ভাল হবে ।

তো আর কথা না বলে শুরু করা যাক । প্রথমে এই লিংক থেকে ৭ এমবি-র এই ছোট সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নেন । তার পর থেকে ১নং ছবির মতো করে কাজ শুরু করে দিন ।

ইন্সটল এর কোন জামেলা নাই । উপরে লাল বক্স এর মতো একটা .exe ফাইল আছে ওই টা কে ডাবল ক্লিক করেন ।তার পর যথা অনুযায়ী পরের চিত্র গুলো দেখেন । কোন পরিবর্তন করার দরকার নাই ।

এখান থেকে Advanced Mode এ ক্লিক করে ।। ২য় স্টেপ দেখেন ………

কোন পরিবর্তন করার দরকার নাই ।
এখানে দেখেন  [A] …কোন পরিবর্তন করার দরকার নাই ।যে ভাবে আছে থাকতে দেন । তার পর [B] মানে হচ্ছে আপনার ইমেজ ফাইল মানে   উইন্ডোজ সোর্স টা কোথায় সেভ করে রাখছেন … ওখান থেকে ব্রওস করেন …..[C] মানে হচ্ছে আপনার পেন ড্রাইভ টা কে সিলেক্ট করা । তার পর [D] তে ক্লিক করে রান করা শুরু করে দেন । এটা কিছু ক্ষণ টাইম নিবে । তার পর দেখবেন আপনার পেনড্রাইভ টা বুটেবল হয়ে গেছে  ..
এছাড়া আপনি অন্য একটা সিস্টেম ও করতে পারবেন ….আমি ওইটা নিয়ে ও এখন আলোচনা করাবো.
প্রথমে এই লিংক থেকে ডাউনলোড করে নেন ………

চিত্র এর মতো …আপনি যদি আপনি পেন ড্রাইভ কে বুটেবল করতে চান তাহলে ৩ নং অপশন টা ক্লিক করে …তার পর ব্রওস করে আপনার সোর্স ফাইল টা সিলেক্ট করেন ।তারপর Next এ ক্লিক করে স্টেপ গুলো ফলো করেন ।
আজ তাহলে এখানে শেষ করছি ……

ক্যাসপারস্কি ইন্টারনেট সিকুরিটি ২০১২ আজীবন এর জন্য

ক্যাসপারস্কি ইন্টারনেট সিকুরিটি ২০১২ আজীবন এর জন্য
প্রথম এ এই লিঙ্ক থেকে ক্যাসপারস্কি ইন্টারনেট সিকুরিটি ২০১২ এর ট্রাল ভার্সন ডাউনলোড  করে নেন ……
ডাউনলোড  লিঙ্ক ###
এবার ডাউনলোড করা হয়ে গেলে ।  ক্যাসপারস্কি ইন্টারনেট সিকুরিটি ২০১২ কে আপনি ট্রাল হিসাবে অ্যাক্টিভ করবেন । কিভাবে অ্যাক্টিভ করবেন যদি না জানেন । তাহলে এই লিঙ্ক থেকে দেখে নেন । দেখতে হলে এখানে ক্লিক করেন,
আমি বার বার বলে রাখছি , যখন ইন্সটল করবেন তখন ট্রাল হিসাবে অ্যাক্টিভ করবেন । এই বার অ্যাক্টিভ করা হয়ে গেলে ,নরমাল ভাবে আপনি একে আপডেড করে নেন । আপডেড করা হয়ে গেলে । নিচের নিক থেকে এটা ডাউনলোড করে ইন্সটল করে দেন । আর মজা দেখেন . আপনার ট্রাল কখনো আর শেষ হবে না , আজীবন এর জন্য হয়ে গেলো ।আর ট্রাল টা ইন্সটল করার পরও আপনি আপডেড করতে পারবেন .কোন প্রব্লেম হবে না ।

ডাউনলোড লিঙ্ক ###
ডাউনলোড করা হয়ে গেলে উপরের পিকচার এর মতো করে …Reset-a  ক্লিক  করতে হবে । ডান । এখন পিসি কে রিস্টার্ট করে নেন ।আর এ ভাবে যখন আপনার ট্রাল ভার্সন টি শেষ হয়ে যাবে তখন নিজে নিজে আবার অ্যাক্টিভ হয়ে যাবে । তার পর আপডেড চাইলে আপডেড করে নিবেন ।
RESET করার আগে এই নিয়ম টা ফলো করেনঃ
১.Settings > self defenc > Turn off
২. Kaspersky টাকে exit করে নিবেন.
৩. Taskbar থেকেও exit করে নিতে হবে ।
আর যদি এই RESET টা কাজ না করে ,তাহলে এখান থেকে এই টা ডাউনলোড করে নেন ।এটা দিয়ে চেষ্টা করেন । এখানে
RESET করার আগে এই নিয়ম টা ফলো করেনঃ
১.Settings > self defenc > Turn off
২. Kaspersky টাকে exit করে নিবেন.
৩. Taskbar থেকেও exit করে নিতে হবে ।
৪. Run TR_KIS-12.0.0.374tr.bat File as ADMINISTRATOR


এবার আরাম করে ব্যবহার করতে থাকেন  ক্যাসপারস্কি ইন্টারনেট সিকুরিটি ২০১২ আজীবন এর জন্য. ধন্যবাদ ।

এ ছাড়া যদি কারো কোন প্রবলেম হয় ।তাহলে নিচের লিঙ্ক থেকে বইটা ডাউনলোড করেন। ফলো করেন।
ডাউনলোড করার জন্যঃ এখানে 

Windows XP Professional এর একটিমাত্র Activation Serial Original Key যা আপনার উইন্ডোজকে জেনুইন করবে কোন সফটওয়্যার ছাড়াই

আমারা উইন্ডোজ এক্সপি ইন্সটল এর সময় নানা ধরণের প্রোডাক্ট সিরিয়াল কী ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আমাদের ওই সিডি বা ডিভিডি এর পেছনের কভারে যে সিরিয়াল কী থাকে তা সাধারানত উইন্ডোজ এক্সপিকে জেনুইন করে না অরিজিনাল সিরিয়াল নম্বর নয় বলে। ফলে আমাদের উইন্ডোজ এক্সপিকে জেনুইন করতে প্রত্যেকবার ইন্টারনেট থেকে ফাইল ডাউনলোড বা নানা ধরণের সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। যা অনেক জামেলার আমি মনে করি।
আমি এ সমস্যা সমাধানের জন্য আপনাদেরকে একটিমাত্র উইন্ডোজ এক্সপি প্রোফেসনাল এর অরিজিনাল কী দিবো যা আপনাকে উইন্ডোজ এক্সপিকে জেনুইন করবে কোন সফটওয়্যার ছাড়াই। এতে সুবিধা হল যে আপনার উইন্ডোজ এক্সপি ইন্সটল হওয়ার পর কখনো আপনাকে জেনুইন করতে বলবে না বা উইন্ডোজ ওপেন করার পর কোন ব্লাঙ্ক উইন্ডো বা নোটিফিকেশান শো করবে না। উইন্ডোজ আপডেট হবে সব সময় সয়ংক্রিত ভাবে।
তাই এই মূল্যবান কী টি দেরি না করে এখুনি ডাউনলোড করে নিন।    
ডাউনলোড লিঙ্কঃ
http://www.ziddu.com/download/16771125/GeniuneSerialForWindowsXPByBaDHaNGSmBD.txt.html 

ব্যাকআপ রাখুন আপনার কম্পিউটারের সকল ড্রাইভার

এই সফ্টওয়ার টার নাম ”ডাবল ড্রাইভার”।এটি উইন্ডোজ এক্সপি,সেভেন,ভিসতায় সাপোর্ট করবে।পরবর্তীতে উইন্ডোজ ফরমেট বা রি-ইন্সটলের পর ব্যাকআপে রাখা ড্রাইভারগুলো রিস্টোর করতে সফটওয়্যারের রিস্টোর বাটনে ক্লিক করে ব্যাকআপে রাখা ফোল্ডার’টি দেখিয়ে দিন এবং রিস্টোর
করে নিন আপনার ব্যাকআপে রাখা ড্রাইভার গুলি।আশা করি সফটওয়্যার টা আপনাদের কাজে আসবে………………সফটওয়্যার টা মাত্র ১ মেগা ৫৩ কেবি…।।




{সফটওয়্যার টা ডাউনলোড করুন}

সক্রিয় করুন উইন্ডোজের নিষ্ক্রিয় প্রোগ্রাম

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে অনেক সময় ভাইরাসের কারণে ফোল্ডার অপশন, টাস্ক ম্যানেজার, কন্ট্রোল প্যানেল, সিস্টেম রিস্টোর, রান মেনু, কনটেক্সট মেনু, মাই কম্পিউটার, সার্চ অপশন, কমান্ড কনসোল, রেজিস্ট্রি এডিটর, এমএস কনফিগার ইত্যাদি ইউটিলিটি প্রোগ্রাম নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকে।

‘রি-এনাবল’ নামের একটি সফটওয়্যার দিয়ে আপনি সহজেই এসব ইউটিলিটি সক্রিয় করতে পারবেন। মাত্র ৭৭৩ কিলোবাইটের ছোট্ট এই সফটওয়্যারটি http://mediafire.com/ ?sl7aoa2ed9zl7zh ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে নিন। এরপর জিপ ফাইলটি খুলুন।সফটওয়্যারটি বহনযোগ্য (পোর্টেবল) বলে ইনস্টলের ঝামেলা নেই। সফটওয়্যারটি খুলে যে ইউটিলিটি নিষ্ক্রিয় রয়েছে, সেটির নাম নির্বাচন করে Re-enable বাটনে ক্লিক করলেই ওই ইউটিলিটি সক্রিয় হয়ে যাবে।

এ ছাড়া এই সফটওয়্যারটি দিয়ে আপনি আরও অনেক কাজ করতে পারবেন। যেমন: autorun.inf ভাইরাস শনাক্ত করা, ডেস্কটপ রিপেয়ার করা, ফোল্ডারের এট্রিবিউট পরিবর্তন করা ইত্যাদি।

শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১১

রাইট ক্লিক মেনু বা Context Menu তে copy to এবং move to যোগ করুন

১। প্রথমে start বাটন এ ক্লিক করে run মেনুতে যান (Windows Key + R ) । dialog বক্সে লিখুন   regedit এবং enter চাপুন ।
২। HKEY_CLASSES_ROOT\AllFilesystemObjects\shellex\ContextMenuHandlers  এটি খুজেঁ বের করুন

৩। ContextMenuHandlers এ গিয়ে রাইট ক্লিক করুন নিচের ছবির মত নতুন একটি key তৈরী করুন ।

নতুন তৈরী করা key এর নাম দিন copy to folder এবং value দিন
{C2FBB630-2971-11D1-A18C-00C04FD75D13}
copy to folder option টি তৈরী করা হয়ে গেল । এখন তৈরী করব move to folder option টি ।
move to folder option টি তৈরী করার জন্য ৩নং প্রক্রিয়াটি আবার করতে হবে অর্থাৎ আবার আপনাকে ContextMenuHandlers এ গিয়ে নতুন আরও একটি key তৈরী করতে হবে । key এর নাম দিন move to folder এবং value দিন
{C2FBB631-2971-11D1-A18C-00C04FD75D13}

এখন রাইট ক্লিক করে দেখুন আপনি নিচের ছবির মতন দেখতে পাবেন ।

ঘরে বসেই কাজ করুন পৃথিবীর যে কোন কম্পিউটারে…

প্রথমে আপনাকে ৩.৯৫ মেগাবাইটের এই সফ্টওয়ারটা ডাউনলোড করে নিতে হবে এখান থেকে
প্রথমে আপনি সফ্টওয়ারটা ইন্সটল করে নিন, তবে ইন্সটল করার সময় আপনাকে কয়েকটা কাজ সেরে নিতে হবে সেটা হল (ছবিতে দেখুন)

ইন্সটল করার সময় এই ডায়লগ বক্সটা এলে আপনাকে (আমরা সাধারনত পারসনাল টাই ব্যাবহার করে থাকি) আপনি যেভাবে ব্যাবহার করতে চান সেটাতে টিক দিয়ে দিবেন।

এরপর এই ডায়ালগ বক্সে নিচের অপশন দুইটিতে টিকমার্ক দিয়ে আবার Next বাটনে ক্লিক করুন এবং আপনার ইন্সটল প্রক্রিয়া শেষ করুন।

এরপর TeamViewer এর Screen দেখা যাবে। যদি দেখা না যায় ডেক্সটপ থেকে TeamViewer আইকনের উপর ডাবল ক্লিক করে সফ্ট টা ওপেন করুন। আর আপনি যার কম্পিউটারে কাজ করবেন তাকেও এই সফ্টওয়ারটা একই ভাবে ইন্সটল করে নিতে হবে। আর ওখানে আপনার আইডি আর পাসওয়ার্ড পাবেন।
উল্লেখ্য: পিসি টু পিসি ফাইল ট্রান্সফার এর জন্য রিমোট কন্ট্রল এ লগিন না করে File Transfer অপশন এ লগিন করুন।তাহলে যার পিসি তে লগিন করেছেন তার সব ড্রাইভ দেখা যাবে এবং যেকোনো কিছু আপনার পিসি তে নিতে পারবেন। আর Remote control এ লগিন করলে যার পিসি তে লগিন করেছেন তার প্রব্লেম হবে এবং সে কোনো কাজ করতে পারবেনা কারন তার পিসি তখন আপনি নিয়ন্ত্রন করবেন। আর একটা তথ্য হল অপারেটিং সিস্টেম একই হতে হবে,নাহলে সমস্যা হবে। যেমন আমার Windows XP আর আপনার Windows 7। টিম ভিউ অন করলে আপনি আমার থেকে নিতে পারে কিন্তু আমি পারবনা। আর যারা টিম ভিউ ব্যবহার করছেন এবং ফাইল ট্রান্সফার করছেন তাদের নেটঅয়ার্ক অবশ্যই একই আইএসপি এর মধ্যে হতে হবে, নাহলে ফুল স্পীড কখনই পাবেন না তবে কাজ অবশ্যই করতে পারবেন।

এখন আপনি যে কম্পিউটারে কাজ করবেন তার ID টা আপনার Partner ID এর ঘরে স্পেস না দিয়ে লিখে নিন। তারপর Connect to partner এ ক্লিক করুন অথবা Keyboard থেকে এন্টার চাপুন।

এরপর এমন একটা ডায়লগ বক্স আসবে সেখানে আপনার partner এর পাসওয়ার্ড টা দিয়ে Log On করুন। আর দেখুন আপনার partner এর ডেক্সটপ আপনার সামনে। তো কাজ করুন আপনার ইচ্ছেমত।