শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১১

রাইট ক্লিক মেনু বা Context Menu তে copy to এবং move to যোগ করুন

১। প্রথমে start বাটন এ ক্লিক করে run মেনুতে যান (Windows Key + R ) । dialog বক্সে লিখুন   regedit এবং enter চাপুন ।
২। HKEY_CLASSES_ROOT\AllFilesystemObjects\shellex\ContextMenuHandlers  এটি খুজেঁ বের করুন

৩। ContextMenuHandlers এ গিয়ে রাইট ক্লিক করুন নিচের ছবির মত নতুন একটি key তৈরী করুন ।

নতুন তৈরী করা key এর নাম দিন copy to folder এবং value দিন
{C2FBB630-2971-11D1-A18C-00C04FD75D13}
copy to folder option টি তৈরী করা হয়ে গেল । এখন তৈরী করব move to folder option টি ।
move to folder option টি তৈরী করার জন্য ৩নং প্রক্রিয়াটি আবার করতে হবে অর্থাৎ আবার আপনাকে ContextMenuHandlers এ গিয়ে নতুন আরও একটি key তৈরী করতে হবে । key এর নাম দিন move to folder এবং value দিন
{C2FBB631-2971-11D1-A18C-00C04FD75D13}

এখন রাইট ক্লিক করে দেখুন আপনি নিচের ছবির মতন দেখতে পাবেন ।

ঘরে বসেই কাজ করুন পৃথিবীর যে কোন কম্পিউটারে…

প্রথমে আপনাকে ৩.৯৫ মেগাবাইটের এই সফ্টওয়ারটা ডাউনলোড করে নিতে হবে এখান থেকে
প্রথমে আপনি সফ্টওয়ারটা ইন্সটল করে নিন, তবে ইন্সটল করার সময় আপনাকে কয়েকটা কাজ সেরে নিতে হবে সেটা হল (ছবিতে দেখুন)

ইন্সটল করার সময় এই ডায়লগ বক্সটা এলে আপনাকে (আমরা সাধারনত পারসনাল টাই ব্যাবহার করে থাকি) আপনি যেভাবে ব্যাবহার করতে চান সেটাতে টিক দিয়ে দিবেন।

এরপর এই ডায়ালগ বক্সে নিচের অপশন দুইটিতে টিকমার্ক দিয়ে আবার Next বাটনে ক্লিক করুন এবং আপনার ইন্সটল প্রক্রিয়া শেষ করুন।

এরপর TeamViewer এর Screen দেখা যাবে। যদি দেখা না যায় ডেক্সটপ থেকে TeamViewer আইকনের উপর ডাবল ক্লিক করে সফ্ট টা ওপেন করুন। আর আপনি যার কম্পিউটারে কাজ করবেন তাকেও এই সফ্টওয়ারটা একই ভাবে ইন্সটল করে নিতে হবে। আর ওখানে আপনার আইডি আর পাসওয়ার্ড পাবেন।
উল্লেখ্য: পিসি টু পিসি ফাইল ট্রান্সফার এর জন্য রিমোট কন্ট্রল এ লগিন না করে File Transfer অপশন এ লগিন করুন।তাহলে যার পিসি তে লগিন করেছেন তার সব ড্রাইভ দেখা যাবে এবং যেকোনো কিছু আপনার পিসি তে নিতে পারবেন। আর Remote control এ লগিন করলে যার পিসি তে লগিন করেছেন তার প্রব্লেম হবে এবং সে কোনো কাজ করতে পারবেনা কারন তার পিসি তখন আপনি নিয়ন্ত্রন করবেন। আর একটা তথ্য হল অপারেটিং সিস্টেম একই হতে হবে,নাহলে সমস্যা হবে। যেমন আমার Windows XP আর আপনার Windows 7। টিম ভিউ অন করলে আপনি আমার থেকে নিতে পারে কিন্তু আমি পারবনা। আর যারা টিম ভিউ ব্যবহার করছেন এবং ফাইল ট্রান্সফার করছেন তাদের নেটঅয়ার্ক অবশ্যই একই আইএসপি এর মধ্যে হতে হবে, নাহলে ফুল স্পীড কখনই পাবেন না তবে কাজ অবশ্যই করতে পারবেন।

এখন আপনি যে কম্পিউটারে কাজ করবেন তার ID টা আপনার Partner ID এর ঘরে স্পেস না দিয়ে লিখে নিন। তারপর Connect to partner এ ক্লিক করুন অথবা Keyboard থেকে এন্টার চাপুন।

এরপর এমন একটা ডায়লগ বক্স আসবে সেখানে আপনার partner এর পাসওয়ার্ড টা দিয়ে Log On করুন। আর দেখুন আপনার partner এর ডেক্সটপ আপনার সামনে। তো কাজ করুন আপনার ইচ্ছেমত।

ইউএসবি (USB) ডিভাইসের মাধ্যমে হিরেনবুট সিডি বুট

যারা হিরেন বুট সিডি চালিয়েছেন তারা নিশ্চয়ই যানেন  এর কাজ কি । তবে এটি অসম্পূর্ন ছিল কারন ইউএসবি (USB) ডিভাইসের মাধ্যমে হিরেনবুট সিডি বুট করা যায় না বলে তবে এখন আপনি চাইলেই ইউএসবি (USB) ডিভাইসের মাধ্যমে হিরেনবুট সিডি বুট করতে পারবেন ।
প্রথমে নিচের সফট টি ডাউনলোড করুন
এর পর আনরার করুন। দুইটি পোর্টেবল সফ্টওয়ার পাবেন একটি ফরমেট করার জন্য অন্যটি বুটিং ফাইল হন্সটল করার জন্য।
প্রথমে usb format  সফ্টওয়ারটি রান করুন
তারপর চিত্রের অনুযয়ী start এ ক্লিক করুন।
প্রোগ্রামটি ক্লোজ করুন। তারপর grubinst সফ্টওয়ারটি রান করুন
তারপর চিত্রের অনুযয়ী সব কনফিগারেশন ঠিক করে ইন্সটল এ ক্লিক করুন।
এবার হিরেনবুট সিডির iso file win rar এর মাধ্যমে extract করে সবগুলো ফাইল pendrive এ কপি করুন।
কাজ শেষ। কম্পিউটারটি রিস্ট্রাট করুন।

কম্পিউটার এর এক বা একাধিক ড্রাইভ লুকিয়ে রাখুন

আপনার কম্পিউটার এর এক বা একাধিক ড্রাইভ লুকিয়ে রাখতে পারেন খুব সহজেই।
এজন্য যা করতে হবেঃ
১) প্রথমে Run এ গিয়ে gpedit.msc লিখে এন্টার দিন।
২) Group Policy নামে একটি পেইজ আসবে। বামদিক থেকে User Configuration এর সাবমেনু থেকে Administrative Templates এ সিঙ্গেল ক্লিক করুন।
৩) ডানদিকে Windows Components এ ডাবল ক্লিক করুন।
৪) Windows Components খুললে Windows Explorer এ ডাবল ক্লিক করুন।
৫) লক্ষ্য করুন, অনেকগুলো অপশন এসেছে। এখান থেকে “Hide these specified drives in my computer” অপশনটি খুজে বের করে ডাবল ক্লিক করুন।
৬) এবার Enabled অপশনটি মার্ক করে নিচে থেকে কোন কোন ড্রাইভ লুকিয়ে রাখতে চান তা সিলেক্ট করে Apply দিয়ে বেরিয়ে আসুন। এখন ডেস্কটপে এসে কয়েকবার Refresh করে My Computer খুলে দেখুন আপনার সিলেক্ট করা ড্রাইভটি/ড্রাইভগুলো অদৃশ্য হয়ে গেছে।

মাদারবোর্ডের ড্রাইভার আপডেট

চলুন আমরা আমাদের কম্পিউটারের মাদারবোর্ড ড্রাইভার কিভাবে আপডেট করতে হয় তা জেনে নিই। আপডেট কেন করবো এটাও জানা থাকা দরকার। সাধারনত আমরা কম্পিউটার কেনার পর  মাদারবোর্ডের সাথে যে সিডি পাই তা দিয়ে আজীবন চলে যায়। অন্যদিকে মাদারবোর্ড কোম্পানী কিন্তু আপনার আমার জন্যে ঠিকই আপডেট প্রতিনিয়ত বের করছেন আর তা আমরা জানিনা। আমরা যদি সবসময় মাদারবোর্ড ড্রাইভার আপডেট করি তাহলে এর ফলাফল স্বরূপ নতুন নতুন যত সফটওয়্যার বা পুরাতন যত সফটওয়্যারের নতুন ভার্সন বাজারে আসে সবগুলোই পিসিতে কাজ করবে কোন ত্রুটি ছাড়াই।
তাই আমাদের মাদারবোর্ড ড্রাইভার আপডেট করে নেয়া উচিত। উইন্ডোজ এক্স পি বা অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমে মাদারবোর্ডের সিডি প্রয়োজন হলেও উইন্ডোজ সেভেন বা ভিসতা তে মাদারবোর্ডের সিডি প্রয়োজন হয় না তাই বলে এটা ভাববেন না যে সেভেন বা ভিসতার আপডেট বের হয়না। সেভেন এবং ভিসতা সহ অন্যান্য যে সকল অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে, সবগুলোরই আপডেট প্রত্যেক কোম্পানীই বের করে থাকে। আসলে আপনার কাছে আপডেট করাটা ঝামেলা মনে হতে পারে। তাই আমি এমন একটি সফট্ওয়্যারের কথা বলবো যা দিয়ে আপনার পিসি বা যে কোন পিসির মাদারবোর্ডের ড্রাইভার সে নিজ থেকে খুজে বের করে দিবে। নিচ থেকে সফট্ওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন (মাত্র ১০ মেগাবাইটের)।

Download এবং Install সম্পন্ন হলে Open করুন এবং   এটা ৮০০ কিলোবাইটের একটি ডাটাবেজ আপডেট করে নিবে।

এখন Scan করুন। Scan সম্পন্ন হলে আপনার কিকি আপডেট করতে হবে তা দেখাবে। Fix এ ক্লিক করুন।

Scan সম্পন্ন হলে আপনার কিকি আপডেট করতে হবে তা দেখাবে। Fix এ ক্লিক করুন।


Fix করার পর যদি নিচের মত করে আসে তাহলে এভাবে হবে না কারন কারেন্ট Driver এ কোন ত্রুটি থাকলে বা অন্য কোন সমস্যা হলে এরূপ দেখা দিবে। পরবর্তীতে OS নতুন করে সেটআপ দিলে এই আপডেট এর কাজ গুলো  করে দেখতে পারেন।


আর যদি এরকম সমস্যা না হয় ডা্উনলোড হবে এবং ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ড্রাইভারগুলো ব্যাকআপ করে রেখে দিতে পারেন অথবা সাথে সাথে Install করে নিন।


বিঃ দ্রঃ Driver_Genius_Pro_10.0.0.761 দিয়ে যদি না হয় তাহলে অন্য ভার্সন দিয়ে দেখতে পারেন অথবা আপনার মাদারবোর্ডের ওয়েব সাইটে দেখতে পারেন।

মাদারবোর্ডের Bios আপডেট............

মাদারবোর্ড ব্র্যান্ড অনেক তাই আজকে শুধু ইন্টেল মাদারবোর্ড নিয়ে শুরু করলাম। আসল কথা হলো একেক মাদারবোর্ড ব্র্র্যান্ড এর বায়োস আপডেট একেক রকম তাই সবগুলো একসাথে শুরু করা সম্ভব নয়। চলুন বায়োস কি জিনিস আগে জেনে নিই।




বায়োস হল সফটওয়্যার যা মাদারবোর্ডের মধ্যে পূর্বেই সেটআপ করা থাকে। পিসির পাওয়ার অন করা থেকে শুরু করে পিসির ওপারেটিং সিস্টেম ওপেন বা লোডিং এর আগ পর্যন্ত যেটুকু দৃশ্যমান থাকে তাকে বায়োস বলে। শুরুতে বায়োস পিসির হার্ডওয়্যার গুলোকে সনাক্ত করতে সাহায্য করে। যেমনঃ ডিভিডি রোম, হার্ড ড্রাইভ, ভিডিও ডিসপ্লে কার্ড, অপটিক্যাল ডিস্ক ড্রাইভ, কিবোর্ড, মাউস ইত্যাদি। বায়োস সফটওয়্যার মাদারবোর্ডের Non-volatile ROM chip এর মধ্যে থাকে। যা পিসির হার্ডওয়্যার জনিত যে কোন ত্রুটির প্রাথমিক ধারনা দেয়। আমরা অনেক সময় দেখি যে হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ সমস্যার কারনে বুট নিচ্ছে না। তখন Error জনিত যে সঙ্কেত গুলো পাওয়া যায় তা হলো বায়োস এর দেওয়া তথ্য। এছাড়াও অন্যান্য যত Error প্রাথমিক পর্যায়ে দেখা যায় তা মূলত বায়োস এর দেয়া তথ্য।
তাই বুঝতেই পারছেন বায়োস এর ব্যাপারটা কতটা গুরুত্বপূর্ন। বায়োস এ কোন সমস্যা থাকলে  আপডেট করলে সমাধান হয়। কারন আপডেট বায়োসে নতুন নতুন অনেক ফিচার যুক্ত করা হয়ে থাকে।  চলুন আপডেট এর কাজ শুরু করা যাক।


বর্তমান Bios Version কত তা জানতে হলে Power অন করে Intel Scene আসলে F2 চাপুন। এখন জেনে নিন আপনার Bios Version কত এবং তা লিখে রাখুন। নিচের ছবিতে দেখুন।


এরপর আপনাকে জানতে হবে Motherboard Model। আগেই মডেল এর কথাটা বলা হত। কিন্তু বোঝার সুবিধার্থে বায়োস ভার্সন জানার পরে মাদারবোর্ড সম্পর্কে বলা।  যদি Motherboard এর বক্স বা ক্যাটালগ হারিয়ে থাকেন, Motherboard Model খুজে পান না সমস্যা নেই।   পিসি চালু করুন। চালু সম্পন্ন হলে কীবোর্ডের উইন্ডোজ বাটন ধরে রেখে R চাপুন। নিচের ছবি দেখুন।

এখন নিচের মত করে আসবে।

dxdiag টাইপ করুন—->Ok——>Yes  চাপুন।
এখন দেখুন আপনার MotherBoard Model যা System Model হিসেবে দেখা যাবে। নিচে দেখুন।

একটি কাগজে কলম দিয়ে বড় অক্ষরে Motherboard Model লিখে ফেলুন।
নিচে ইন্টেলের সব মডেল দেওয়া আছে, আপনার টার মডেল মিলিয়ে দেখুন ঠিক আছে কিনা।



নিচের লিংকে ভিসিট করুন এবং নিচের ছবিগুলোর নির্দেশনা অনুসরন করুন।
http://downloadcenter.intel.com/——>>>>>>>>>>>Go

(১) Motherboard Model দিয়ে Search করুন।
(২) আপনি যে Operating System ব্যবহার করেন সেটা Select করুন।(অবশ্যয়ই উইন্ডোজ হতে হবে)।
(৩) Bios Select করুন।
(৪) একেবারে প্রথম উপরের নতুন বায়োস আপডেট ফাইলটি Select করুন।
এখন নিচের মত আসবে। শুধুমাত্র .EXE বায়োস ফাইলটি সিলেক্ট করুন। বাকি ফাইল যেগুলো দেখাবে ওগুলো উইন্ডোজের জন্য যথাযথ নয়। সবুজ ঘরে আপনার Motherboard Model আর বাকি অংশ হল বায়োস ভার্সন। এখন মিলিয়ে দেখুন আপনার লিখা কাগজের সাথে বায়োস নতুন ভার্সন কিনা। হলে Download এ ক্লিক করুন।

Download সম্পন্ন হলে বায়োস ফাইলটি C: Drive এর Temp ফোল্ডারে রাখুন। নিচের ছবিতে দেখুন।

এখন Install করার পর Restart নিবে। প্রথম যেভাবে Bios Version চেক করেছিলেন সেভাবে চেক করেন।
বিঃদ্রঃ এই পর্ব শুধুমাত্র Intel Motherboard ব্যবহার কারীদের জন্যে ।

যেভাবে ডোমেইন নিবন্ধন করবেন……..

ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করার জন্য অনেক ওয়েব সাইট আছে যেখান থেকে আপনি মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। তার মধ্যে দুইটি নির্ভর যোগ্য ওয়েব সাইট তুলে ধরলাম।
১/ নেমচিপ.কম
আমার জানামতে এই ওয়েব সাইতে বেশ কম দামে ডোমেইন নেয়া যায়। এবং এই ওয়েব সাইটটির সার্ভিস খুব ভালো তাই যদি কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করে যে ডোমেইন কোথা থেকে ভালোভাবে নেয়া যায়? আমি তাকে এই সাইতের কোথা বলি। এই সাইট থেকে মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড এর পাশাপাশি আন-ভেরিফায়েড পেপ্যাল ব্যাল্যান্স দিয়ে ডোমেইন নিতে পারবেন।
০২/ গোড্যাডি.কম (GoDaddy)
এই ওয়েব সাইট সবচেয়ে নামকরা নির্ভরযোগ্য ওয়েব সাইট তাই এই ওয়েব সাইট থেকেও আপনি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। এই সাইট এ ডোমেইন এর দাম একটু বেশিই নেই।

যেভাবে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করবেনঃ

আজ আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে নেমচিপ.কম থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। নেমচিপ.কম এ প্রবেশ করুন।
domaintyp বানিয়ে ফেলুন নিজেরও একটি ওয়েব সাইট! [ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন] [পর্ব ২] || বিডিরঙ.কম
০১) এই বক্সে আপনি যে নামে ডোমেইন নিতে চান সেই নামটি লিখুন যেমন আমি লিখলাম “Mominul”  ২) এবার সার্চ বাটনে ক্লিক করুন তাহলে দেখবেন যে বেশ কয়েক ধরনের ডোমেইন নেম আপনার কাছে এসে হাজির।
domainsilect বানিয়ে ফেলুন নিজেরও একটি ওয়েব সাইট! [ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন] [পর্ব ২] || বিডিরঙ.কম
এই এখানে আপনি আপনার পছন্দের ডোমেইন টি নির্বাচন করতে পারবেন। এখানে বুঝতেই পারছেন যে আমার Mominul.com কে নিতে পারছি না কারন এটা আমাদের আগেই কেউ কিনে নিয়েছে। ১) আপনার পছন্দের ডোমেইন এর পাশে টিক বক্সে টিক দিন এবং ডান পাসে আপনার ডোমেইনটির মূল্য দেখতে পাবেন। ২) ডোমেইন টি ক্রয় করার জন্য নিচে Add to Cart বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে নিচের মত আসবে। domanbuy বানিয়ে ফেলুন নিজেরও একটি ওয়েব সাইট! [ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন] [পর্ব ২] || বিডিরঙ.কম
এবার এখানে আপনার সর্বমোট কত টাকা দিতে হবে এবং ডোমেইন এর সাথে কি কি নিবেন তা আপডেট করতে পারবেন। তবে নেমচিপ প্রথম বছরের জন্যWhoisGuard ফ্রি দেই ( হুইজগার্ড এর কাজ হচ্ছে ডোমেইন এর তথ্য গোপন রাখা) তাই এটা রেখে দিতে পারেন। সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলে CHECKOUTবাটনে ক্লিক করুন। নিচের ছবির মত আসবে।
nameaccount বানিয়ে ফেলুন নিজেরও একটি ওয়েব সাইট! [ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন] [পর্ব ২] || বিডিরঙ.কম
ডোমেইন নেয়ার জন্য আপনার নেমচিপ এ একটা একাউন্ট থাকা অবশই প্রয়োজন। ১) আপনার যদি নেমচিপ এ একাউন্ট না থাকে তাহলে নিবন্ধন ফরম পূরণ করে আপনার একাউন্ট টি বানিয়ে ফেলুন। ২) আপনার যদি আগে থেকেই একাউন্ট থাকে তাহলে ইউজারনেম ও পাসোয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
chekout বানিয়ে ফেলুন নিজেরও একটি ওয়েব সাইট! [ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন] [পর্ব ২] || বিডিরঙ.কম
এখন এখানে আপনি চারটি ফরম পাবেন সবগুলো পুরন করুন। সব গুলতেই একই ঠিকানা বা আলাদা আলাদা ঠিকানা ব্যবহার করতে পারেন। সব ফরম গুলো পুরন হলে সব নিচে Save and Continue বাটনে ক্লিক করুন।
domane বানিয়ে ফেলুন নিজেরও একটি ওয়েব সাইট! [ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন] [পর্ব ২] || বিডিরঙ.কম
এখন যদি আপনি WhoisGuard একটিভ রাখতে চান তাহলে Enable WhoisGuard এ টিক দিন। Nameserver Settings এ Use Custom Name Servers নির্বাচন করে আপনি যে ওয়েব সাইট থেকে হোস্ট কিনতে চান সেই ওয়েব সাইত এর নেম সার্ভার এখানে বসিয়ে দিন। এবার Save and Continue বাটনে ক্লিক করুন।
payment বানিয়ে ফেলুন নিজেরও একটি ওয়েব সাইট! [ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন] [পর্ব ২] || বিডিরঙ.কম
এবার ডোমেইন টি ক্রয় করার জন্য আপনাকে টাকা (ডলার) পরিশোধ করতে হবে সেই জন্য আপনাকে পেইমেন্ট এর তিনটি অপশন দেয়া হবেঃ ১) Funds যদি নেমচিপ এ আপনার কোন টাকা থাকে তাহলে সেটা দিয়েও ডোমেইন কিনতে পারেন। ২) Credit Card আপনার যদি কোন ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ড থাকে তাহলে আপনি সেই ডলার দিয়েও ডোমেইন ক্রয় করতে পারবেন। ৩) Paypal আপনার যদি পেপ্যাল এ ব্যাল্যান্স থাকে তাহলে সেই টাকা দিয়েও ডোমেইন ক্রয় করতে পারবেন। আমি প্রথমেই আলোচনা করেছি যে নেমচিপ.কম ভেরিফায়েড ও আনভেরিফায়েড পেপ্যাল সাপোর্ট করে তাই সকলের জন্য ডোমেইন কেনা খুব সহজ।

আমি এখন আপনাদের ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড দিয়ে ডোমেইন কেনার পদ্ধতি দেখিয়ে দেবো,
ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড দিয়ে ডোমেইন নেয়ার জন্য Pay with Credit Card বাটনে ক্লিক করুন তাহলে নিচের মত চিত্র আসবে সেখানে আপনার ক্রেডিট কার্ড এর ইনফো দিয়ে Charge and Process বাটনে ক্লিক। হয়তো এক থেকে দুই মিনিট সময় লাগতে পারে।
asdasd বানিয়ে ফেলুন নিজেরও একটি ওয়েব সাইট! [ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন] [পর্ব ২] || বিডিরঙ.কম
061 বানিয়ে ফেলুন নিজেরও একটি ওয়েব সাইট! [ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন] [পর্ব ২] || বিডিরঙ.কম


আপনার ক্রেডিট/ডেবিট টাকা (ডলার) নেয়া হয়ে সম্পুর্ন হলে নিচের ছবির মত প্রদর্শিত হবে।
071 বানিয়ে ফেলুন নিজেরও একটি ওয়েব সাইট! [ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন] [পর্ব ২] || বিডিরঙ.কম০১) ডোমেইনটি কে কার কার নামে নেয়া হয়েছে তার তথ্য এখানে প্রদর্শিত হবে।
০২) ডোমেইন টি যে কিনেছেন তার সকল তথ্য আপনি মুদ্রণ বা আপনার কম্পিউটারে সংরক্ষণ করতে পরেন।
০৩) এখানে আপনার অর্থ লেনদেনের তথ্য প্রদর্সিত হবে।
০৪) আমি কি কি দ্রব্য ক্রয় করেছেন তার তালিকা ও বিবরণ এখানে দেখতে পাবেন।

ব্যাস হয়ে গেল আপনার পছন্দের ডোমেইনটি শুধু আপনার জন্য, এই ডোমেইন এ আর কেও নজর দিতে পারবে না। এই ডোমেইনটি শুধু আপনিই কন্ট্রোল করতে পারেন।